দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশের পথে রওনা হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যুক্তরাজ্যের লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে ঘিরে ধরেন যুক্তরাজ্য বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী। নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি আগেই অনুরোধ করেছিলেন যেন বিমানবন্দরে ভিড় না করা হয়, তবে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখতে সেই অনুরোধ উপেক্ষা করেই উপস্থিত হন অনেক নেতাকর্মী।
হিথ্রো বিমানবন্দরে তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান। নেতাকর্মীদের ভিড়ের মধ্যেও হাস্যোজ্জ্বল মুখে সবার শুভেচ্ছা গ্রহণ করতে দেখা যায় তাকে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বারবার শান্ত থাকার অনুরোধ জানান তিনি।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতর দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন। প্রায় ১৭ বছর পর জন্মভূমিতে ফেরার এই মুহূর্তে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেক সমর্থক। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ তার প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় ছিল।
লাইভ সম্প্রচারে দেখা যায়, নিরাপত্তা কর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর থাকলেও নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস থামানো কঠিন হয়ে পড়ে। বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশের আগে তারেক রহমান আবারও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ভিড় না করার অনুরোধ জানান।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাইটে উঠবেন। তার এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে তারেক রহমানের দেশে ফেরা বিএনপির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করবে।
১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে দেশের সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

